ইংল্যান্ডের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল নরওয়ে। সেই ম্যাচে সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত হলো-নরওয়ের ফরোয়ার্ড আলেকজান্ডার সোরলথ সতীর্থ এবং দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা আরলিং হালান্ডকে বল না দিয়ে নিজেই শট নিলেন। তার সেই সিদ্ধান্তই পরে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয় বলে মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।
প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল নরওয়ে। দ্রুতগতির এক পাল্টা আক্রমণে সোরলথ ও হালান্ড ইংল্যান্ডের একমাত্র ডিফেন্ডার জন স্টোনসকে সামনে পেয়ে ২ বনাম ১ পরিস্থিতি তৈরি করে ফেলেছিলেন।
তখন হালান্ডকে পাস দিলেই ব্যবধান ২-০ হওয়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু সোরলথ পাস না দিয়ে নিজেই ড্রিবল করে শট নেওয়ার চেষ্টা করেন। ততক্ষণে ইংল্যান্ডের আরও পাঁচজন খেলোয়াড় ফিরে এসে রক্ষণ মজবুত করে ফেলেন। সোরলথের দুর্বল শট জর্ডান পিকফোর্ডকে ধরতেও হয়নি।
সুযোগ নষ্ট হওয়ার পর মাঠেই সোরলথের প্রতি হতাশা প্রকাশ করতে দেখা যায় হালান্ডকে।
ঘটনাটির ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। এটিকে বিশ্বকাপের ‘সবচেয়ে বড় ভুল’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হচ্ছে।
এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে নরওয়ে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যেতে পারত। ইংল্যান্ডের পক্ষে তখন ম্যাচে ফেরা আরও কঠিন হয়ে যেত। তবে সুযোগ নষ্টের কয়েক মিনিটের মধ্যেই ইংল্যান্ডের হয়ে সমতা ফেরান জুড বেলিংহ্যাম। এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে শেষ পর্যন্ত সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড।
ম্যাচ শেষে ইংল্যান্ডের প্রধান কোচ টমাস টুখেলও স্বীকার করেন, জয় পেলেও তার দল ভাগ্যের সহায়তা পেয়েছে। কিন্তু হালান্ডকে বল না দিয়ে কার্যত নরওয়েকে হারের মুখে ঠেলে দিলেন সোরলথ।


